গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। শনিবার রাতে গাজার বিভিন্ন স্থানে এই হামলা চালানো হয়। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে।
হামলার বিবরণ
ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজার উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া শরণার্থী শিবির এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহর লক্ষ্যবস্তু হয়। এতে বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। আহতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ, আরব লীগ এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। তারা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং নিরীহ নাগরিকদের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার সমর্থন করলেও নিরীহ নাগরিকদের হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
- জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
- আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল গেইট এই হামলাকে 'যুদ্ধাপরাধ' বলে অভিহিত করেছেন।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগঠন হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে। তারা বলেছে, এই হামলার জবাবে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে রকেট হামলা চালানো হবে।
গত কয়েক দিনে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় বিমান হামলা ও আর্টিলারি গোলাবর্ষণ করছে। অন্যদিকে, হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ করছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বহু বেসামরিক নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছে।



