কীর্তনখোলায় ডুবে যাওয়া এমভি মানিক লঞ্চ ১২ দিন পর উদ্ধার
কীর্তনখোলায় ডুবে যাওয়া এমভি মানিক লঞ্চ উদ্ধার

কীর্তনখোলায় ডুবে যাওয়া এমভি মানিক লঞ্চ ১২ দিন পর উদ্ধার

বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই এলাকার কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে যাওয়া এমভি মানিক লঞ্চটি ১২ দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে লঞ্চ মালিকের ব্যক্তিগত খরচে এটি তোলা হয়, যা নৌ-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসিম কুমার সিকদার নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মালিক পক্ষ নিজ উদ্যোগে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উঠিয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ১ এপ্রিল চরমোনাই মাহফিলে এসে ঘাটে থাকা অবস্থায় এমভি মানিক লঞ্চটি ডুবে যায়। মাহফিলের আগের রাতে মুন্সীগঞ্জ থেকে চরমোনাইয়ের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা লঞ্চটি ভোররাতে যাত্রী নামিয়ে ঘাটে অবস্থান করছিল। পরবর্তীতে ভাটার কারণে নদীর পানি কমে গেলে লঞ্চের পেছনের অংশ হেলে পড়ে এবং দুপুরের দিকে এটি সম্পূর্ণভাবে ডুবে যায়।

লঞ্চ সংশ্লিষ্ট ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, লঞ্চটি যথাযথভাবে বেঁধে রাখা হয়নি, ফলে পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারসাম্য হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ সময় কোনো যাত্রী বা লঞ্চের কর্মচারী ভেতরে না থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ জানান, লঞ্চটি যাত্রী নামানোর পর ঘাটে ফাঁকা অবস্থায় ছিল এবং ভাটার কারণে পানি কমে যাওয়ায় এটি হেলে পড়ে ডুবে যায়, কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উদ্ধার প্রক্রিয়া ও ক্ষয়ক্ষতি

বরিশাল নদীবন্দর কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, লঞ্চ মালিকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নদী থেকে লঞ্চ উদ্ধার তারা ব্যক্তিগতভাবে করেছে। যদিও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে লঞ্চের ভেতরে থাকা মুসল্লিদের কিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা উল্লেখ করেন। এই ঘটনাটি নদীপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, বিশেষ করে ভাটার সময় ঘাটে লঞ্চ বাঁধার সঠিক পদ্ধতি অনুসরণের দিকে নজর দিতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ