চীনের তীব্র নিন্দা: যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন
চীন: যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক

যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বন্দর অবরোধে চীনের তীব্র নিন্দা

যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের বন্দর অবরোধের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে চীন। একইসঙ্গে ইরানের বন্দর অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়েছে দেশটি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

চীনা মুখপাত্রের বক্তব্য

এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এ নিন্দা জানান। সম্মেলনে গুয়ো জিয়াকুন বলেন, হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি ও ইরানের বন্দর অবরোধের পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে শুধু উত্তেজনাই বাড়বে এবং আগে থেকেই নাজুক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে আরও দুর্বল করবে। এসময় যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলেও উল্লেখ করেন চীনা মুখপাত্র।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের প্রতিক্রিয়া

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব পুরোপুরি ইরানের ওপরই রয়েছে। বল এখন ইরানের কোর্টে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় তাদের অবস্থান ও শর্ত স্পষ্ট করেছে এবং একটি প্রস্তাবও দিয়েছে। এখন তেহরান সেই প্রস্তাব গ্রহণ করবে কি না, সেটিই মূল বিষয়। ভ্যান্স জানান, দুটি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ছাড় দেবে না:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ
  • পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ঠেকাতে কার্যকর যাচাই ব্যবস্থা

অবরোধের পটভূমি ও সাম্প্রতিক ঘটনা

এর আগে, সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে আজ মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ উপেক্ষা করে চীনের একটি ট্যাংকার হরমুজ পার হয়েছে। জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য প্রদানকারী সংস্থা ‘মেরিন ট্রাফিক’‘কেপলার’-এর তথ্যে বিষয়টি উঠে এসেছে। এই ঘটনা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন।

চীনের এই নিন্দা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি ইরান সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।