কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশটি সাময়িকভাবে তার আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
হামলার বিবরণ
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্বনির্ধারিত চুক্তি ও নিয়ম অনুসরণ করে সব ফ্লাইট বিকল্প বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হবে। কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অবৈধভাবে পার হওয়ার চেষ্টা করা দুটি তেলবাহী জাহাজে তারা হামলা করেছে। এ ছাড়া বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম ও আহমাদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেছে আইআরজিসি।
পরিস্থিতির প্রভাব
পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ। বিমান চলাচল বন্ধের ফলে আন্তর্জাতিক রুটে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কুয়েতের আকাশসীমা বন্ধের কারণে অনেক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় রুট নির্ধারণ করতে বাধ্য হবে, যা বৈশ্বিক বিমান চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ এয়ার করিডোর ব্যবহারকারী এয়ারলাইনগুলোকে বিকল্প পথ খুঁজে নিতে হবে।
ইরানের হামলার ঘটনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। কুয়েত সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এ ঘটনার প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।



