প্রতিমন্ত্রী মিল্লাতের দ্বিতীয় যমুনা সেতুর আশ্বাস
প্রতিমন্ত্রী মিল্লাতের দ্বিতীয় যমুনা সেতু আনার অঙ্গীকার

এলাকার উন্নয়নে জনগণকে আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত-পা ধরে হলেও বালাসী-বাহাদুরাবাদে দ্বিতীয় যমুনা সেতু আনবেন এবং ইনশাআল্লাহ এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবেন।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের খোলাবাড়ী ও চর ডাকাতিয়া এলাকার নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বালাসী থেকে বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করতে চান। তিনি উল্লেখ করেন, এটি শুধু একটি সেতু নয়, উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। এই সেতু নির্মিত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন উন্নত হবে, তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিতেও নতুন গতি আসবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সেতু নির্মাণ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এটা নিয়ে টানাটানি চলছে। অনেকে চাইছে সেতুটি অন্য রুটে যাক। কেউ মাদারগঞ্জ হয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করছে; মাদারগঞ্জ হয়ে গেলে একটু শর্ট হয়। তাঁর মতে, এদিকে গেলে পথ কিছুটা বেশি হয়, কিন্তু তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাত-পা ধরে হলেও এটা এখানে নিয়ে আসবেন।

জনগণের প্রতি আহ্বান

এসময় তিনি স্থানীয়দের কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, আপনারা দোয়া করবেন। যারা নামাজ পড়েন, বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ আছেন, মা-বোনরা আছেন সবাই দোয়া করবেন। দোয়া অনেক বড় শক্তি। আল্লাহর রহমতে আমরা এলাকার উন্নয়নে বড় বড় কাজ করতে পারবো।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়া বালাসী থেকে রাজিবপুর পর্যন্ত সড়ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখান থেকে রাজিবপুর পর্যন্ত যাতে বড় দুই লেনের রাস্তা হয় এবং মানুষ ঠিকমতো চলাচল করতে পারে, সেই কাজও করা হবে ইনশাআল্লাহ। আমার ওপর ভরসা রাখেন। আল্লাহর ওপর আস্থা রেখে আমার ওপরও আস্থা রাখেন। আমি প্রত্যেকটি কাজ খুঁজে খুঁজে করার চেষ্টা করছি। দেশে-বিদেশে অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়, তারপরও এলাকার উন্নয়ন নিয়েই ভাবছি।

অনুষ্ঠানে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ জহুরুল হোসেন, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।