সড়ক দুর্ঘটনায় রেশমা বেগম (২৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে গাজীপুর থেকে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায় যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী ও পাঁচ বছর বয়সী শিশুসন্তান।
দুর্ঘটনার বিবরণ
আজ রোববার সকাল ছয়টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গোন্দারদিয়া এলাকায় মালেকা চক্ষু হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রেশমা বেগম সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানার কোমরপুর গ্রামের আব্দুর সাত্তার গাজীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মায়ের মৃত্যুর খবরে রেশমা বেগম পরিবার নিয়ে গাজীপুর থেকে নিজ বাড়ি সাতক্ষীরায় যাচ্ছিলেন। তাঁরা বাসে ফরিদপুর পর্যন্ত আসেন। এরপর ফরিদপুর থেকে একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-গ ২৫-০৯৬২) সাতক্ষীরার উদ্দেশে রওনা দেন। প্রাইভেট কারটি মধুখালী উপজেলার গোন্দারদিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি সড়কের পাশে অবস্থিত মালেকা চক্ষু হাসপাতালের সীমানাপ্রাচীরে সজোরে আঘাত করে।
হতাহতের ঘটনা
এতে গাড়ির আরোহী রেশমা বেগম গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতাবস্থায় রেশমা বেগমকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে করিমপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক সাজ্জাদ জানান, নিহত রেশমা বেগম তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে গাজীপুর থেকে নিজ বাড়ি সাতক্ষীরায় যাচ্ছিলেন। সঙ্গে তাঁর স্বামী ও পাঁচ বছর বয়সী একটি মেয়ে ছিলেন। তাঁরা আহত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। গাড়ির চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাঁকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
আইনগত ব্যবস্থা
করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।



