গাজার জনগণের জন্য শুধু বেঁচে থাকা নয়, তাদের 'মর্যাদা' ফিরিয়ে দেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের ত্রাণ প্রধান। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে তিনি ইসরায়েলের মানবিক সহায়তা বিতরণে বাধা দেওয়ার সমালোচনা করেন।
যুদ্ধবিরতি ও ত্রাণ প্রবাহ
টম ফ্লেচার নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ত্রাণ প্রবাহ উন্নত হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ১০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে প্রবেশ করছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, 'এই ভঙ্গুর অগ্রগতি ফিলিস্তিনিদের প্রয়োজন এবং আমরা যা সরবরাহ করতে পারি তার ন্যূনতম স্তর মাত্র, এবং আন্তর্জাতিক আইনও যা দাবি করে তা-ই।'
শিশুদের অবস্থা উদ্বেগজনক
ফ্লেচার আরও বলেন, 'আমরা আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছার শিখরকে এমন বিশ্বে পরিণত করতে পারি না যেখানে শিশুরা বেঁচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত ক্যালোরি পায় এবং ক্রমাগত বোমাবর্ষণ থেকে মুক্ত থাকে, কিন্তু তবুও তারা ক্ষুধার্ত থাকে, ইঁদুরে কামড় খায়, গৃহহীন থাকে এবং বিদ্যালয়ের বাইরে থাকে। অস্ত্র নীরব করাই যথেষ্ট নয়—আমাদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করতে হবে।'
ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা অপসারণের দাবি
ফ্লেচার বিশেষভাবে গাজার সব প্রবেশপথ খুলে দেওয়ার এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জ্বালানির মতো পণ্য প্রবেশে ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
এনজিও অক্সফামের মানবিক কর্মকর্তা বুশরা খালিদি নিরাপত্তা পরিষদে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি 'জরুরি ভিত্তিতে, সাহসিকতার সঙ্গে এবং মানবিকতার সঙ্গে' কাজ করার আহ্বান জানান।



