পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি বনে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে চিতাবাঘ। ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন এলায়েন্স (সিসিএ) নামের বন্যপ্রাণী বিষয়ক একটি সংস্থার ক্যামেরা ফাঁদে বাঘের ছবি ধারণ করা হয়। প্রকৃতিতে শীতের আগমন ধ্বনি। এমন সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের দক্ষিণ সীমান্তের পাহাড়ি এলাকা জরিপ করার দায়িত্ব পড়ল জেলা প্রশাসক (ডিসি) থমাস হারবার্ট লুইনের কাঁধে। লুইন নিজের লোকজন নিয়ে পথঘাটহীন আদিম বনভূমির ভেতর দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন। এই অভিযানে একবার একটি শিকারি বাঘ দুই দিন দুই রাত তাঁদের পিছু নিয়েছিল। পাহাড়ের নিস্তব্ধ রাত। চারপাশে গা ছম ছম করা আঁধার। এমন রাতের অন্ধকারে তাঁদের শিবিরের চারপাশে চক্কর দিত সেই বাঘ।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সিসিএ-র ভূমিকা
ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন এলায়েন্স দীর্ঘদিন ধরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে আসছে। তাদের ক্যামেরা ফাঁদ প্রকল্পের মাধ্যমে বনের বিভিন্ন প্রাণীর উপস্থিতি নথিভুক্ত করা হয়। এই চিতাবাঘের ছবি প্রমাণ করে যে এলাকার বাস্তুতন্ত্র এখনও জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।
শীতের আগমনে বন্যপ্রাণীর সক্রিয়তা
শীতকালে বন্যপ্রাণীরা খাদ্যের সন্ধানে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। চিতাবাঘের মতো শীর্ষ শিকারী প্রাণীর উপস্থিতি বনের খাদ্যশৃঙ্খলের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এটি যেমন গর্বের বিষয়, তেমনি সতর্ক থাকারও প্রয়োজন।
জেলা প্রশাসক থমাস হারবার্ট লুইনের নেতৃত্বে জরিপ দলটি বনের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে। তারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে বন্যপ্রাণী ও মানুষের সহাবস্থানের উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।



