কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণে ১৩ নিহত, সবাই ভারত-পাকিস্তানের নাগরিক
কাতারে গ্যাস বিস্ফোরণে ১৩ নিহত, সবাই ভারত-পাকিস্তানের

কাতারের রাস লাফান শিল্প কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত এবং আরও ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতের সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক। সোমবার (২২ জুন) কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাবি এই তথ্য জানান। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

বিস্ফোরণের বিবরণ ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া

কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাবি সাংবাদিকদের বলেন, এই বিস্ফোরণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি রাস লাফানে এলএনজি কার্যক্রম পুনরায় চালুর জন্য কাজ করে যাচ্ছে, যা গত মার্চ মাসে ইরানের হামলার পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত রবিবার সন্ধ্যায় বারজান লোকাল গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় একটি ‘প্রযুক্তিগত দুর্ঘটনা’ ঘটে। কাবি সাংবাদিকদের জানান, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে কারখানাটির উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল এবং মাত্র দুই দিন আগে এটি প্রথমবারের মতো পুনরায় চালু করা হয়েছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিল্পের ইতিহাস ও আহতদের অবস্থা

গ্যাস শিল্পে এর আগের বড় বিপর্যয়টি ঘটেছিল ২০০৪ সালে আলজেরিয়ার স্কিকদা এলএনজি কমপ্লেক্সে, যেখানে বিস্ফোরণে ২৭ জন নিহত হন। কাবি বলেন, বারজান বিস্ফোরণের পর আহত এবং চিকিৎসাধীন ৬৬ জনের মধ্যে কারও অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয়। তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তিরা ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।

তদন্ত ও পরিবেশগত প্রভাব

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাবি জোর দিয়ে বলেন, কাতারএনার্জি ইতোমধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। তবে এটি কোনও ধরনের নাশকতা বা শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড ছিল না এবং এতে পরিবেশের কোনও ক্ষতি বা ঝুঁকি নেই। তিনি আরও বলেন, এই বিস্ফোরণ ও আগুনের ফলে কাতারএনার্জির এলএনজি অবকাঠামো, রাস লাফান বন্দর এবং অন্যান্য লজিস্টিক কার্যক্রমের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং এটি আমাদের রফতানি সক্ষমতায় কোনও প্রভাব ফেলবে না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ