আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
টিকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শ্যামলীতে টিবি হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধের ওষুধ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
টিকাদানের অগ্রগতি
বর্তমানে টিকাদানের অগ্রগতি সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, লক্ষ্যমাত্রার ৬১ শতাংশ আমরা কাভার করে নিয়েছি। আগামী এক সপ্তাহে শতভাগ শিশু হামের টিকার আওতায় চলে আসবে। এরইমধ্যে অনেক জায়গায় শতভাগ হয়ে গেছে। হামের টিকা কার্যক্রম শুরু করা প্রথম ৩০টি উপজেলায় এখন একটাও হামের রোগী নেই।
হামের সংক্রমণ ও টিকাদান
হামের সংক্রমণ ও টিকাদান সম্পর্কে তিনি বলেন, গত ছয় বছর হাম প্রতিরোধে শিশুদের কোনো ভ্যাকসিনেশন হয়নি। আমরা জরুরি ভিত্তিতে তা শুরু করি। ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আমেরিকা যৌথভাবে যদি সাহায্য না করতো, তাহলে দেশের এই মানচিত্র আজ অন্যরকম হতে পারতো। আরও অনেক বেশি ক্ষতি হতো।
টিকা কার্যক্রম এগিয়ে আনা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী মাসের পাঁচ তারিখে সারা দেশে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ছিল। আমরা সেটা ১৪ দিন এগিয়ে এনেছি। আমরা যখন হামের টিকা হাতে পেয়েছি, নির্ধারিত সময়ের জন্য আর অপেক্ষা করিনি। আমরা ২০ এপ্রিল থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছি।
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর করা হয়; যা যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে। ভ্যাকসিন ও সিরিঞ্জের কোনো সংকট নেই, আগামীকাল দেশের সব কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।



