তামাক ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গণসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তামাক পণ্য ব্যবহার ও মাদকাসার প্রতিরোধে দেশব্যাপী গণসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তামাক ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গণসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।’ মন্ত্রী এ লক্ষ্য অর্জনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মানস’-এর সাথে যৌথভাবে কাজ করার সরকারের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মাধ্যম ও চলচ্চিত্রে তামাকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার তাগিদ
জহির উদ্দিন স্বপন বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, মাধ্যম ও চলচ্চিত্রে তামাক পণ্যের ব্যবহার ও প্রদর্শন নিরুৎসাহিত করতে হবে। তিনি বলেন, ‘মিডিয়া এবং সিনেমায় তামাক ও মাদকের চিত্রায়ণ যুবসমাজকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। এ থেকে বিরত থাকা জরুরি।’ মন্ত্রী মাদকাসার ও তামাক পণ্য ব্যবহার বিরোধী সরকারের প্রচেষ্টা আরও জোরদার করতে বেসরকারি পর্যায় থেকে সহযোগিতা কামনা করেন।
‘মানস’-এর দীর্ঘদিনের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা
মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘মানস’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী সচিবালয়ে মন্ত্রীর সাথে এক শুভেচ্ছা সাক্ষাৎকালে সংস্থাটির দীর্ঘদিনের কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি চলচ্চিত্র ও মিডিয়ায় তামাক ও মাদকের চিত্রায়ণের নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে এ বিষয়ে কার্যকর নীতি প্রণয়ন ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
অধ্যাপক চৌধুরীর সাথে আলোচনায় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে তামাক ও মাদক প্রতিরোধে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো এবং গণসচেতনতা সৃষ্টিতে মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে তামাক ও মাদকের ভয়াবহতা থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে।’
এছাড়াও, বৈঠকে তামাক ও মাদক বিরোধী প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে হলে তামাক ও মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা।’



