প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের নেতৃত্বে শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটাতে তিন স্তরের অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা হবে, যা ব্যয়বহুল বিদেশি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনবে।
পাইলট প্রকল্প ও সম্প্রসারণ
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান জানিয়েছেন, প্রকল্পটি প্রথমে একটি নির্বাচিত উপজেলায় পাইলট আকারে চালু হবে। পরে তা সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
তিন স্তরের পরিবহন ব্যবস্থা
সরকার প্রশাসনিক স্তর অনুযায়ী একটি স্তরভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা তৈরি করেছে:
- গ্রাম থেকে উপজেলা পর্যন্ত পরিবহন
- উপজেলা থেকে জেলা পর্যন্ত পরিবহন
- জেলা থেকে রাজধানী পর্যন্ত পরিবহন
দেশে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করে সরকার বর্তমান খরচের একটি ভগ্নাংশে আধুনিক জরুরি সুবিধা প্রদান করতে সক্ষম হবে। বৈঠকে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা জানান, এই অ্যাম্বুলেন্সগুলো বাংলাদেশের অনন্য ভৌগোলিক ভূখণ্ড ও সড়ক নেটওয়ার্কের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হবে। এগুলোতে অক্সিজেন সাপোর্ট ও জরুরি জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যন্ত্রপাতি থাকবে।
এই উদ্যোগ জরুরি পরিবহন নেটওয়ার্ক আরও কার্যকর করে প্রতিক্রিয়ার সময় ও রোগীর ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবার বাইরেও এটি স্থানীয় প্রকৌশল ও সবুজ জ্বালানি খাতকে চাঙ্গা করবে।
বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত এবং সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের একটি দল যানবাহনগুলো যাতে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও চিকিৎসা মান পূরণ করে তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত পরামর্শ প্রদান করেন।



