শাহবাগে নারী চিকিৎসকের গলিত মরদেহ উদ্ধার, স্ট্রোকের সন্দেহ
শাহবাগে নারী চিকিৎসকের গলিত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারাহ ফেরদৌস (৩২) নামে এক নারী চিকিৎসকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এ কার্ডিওভাসকুলার কোর্সের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ট্রোকের কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মৃত্যুর আগের ঘটনা

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০২২ সাল থেকে আজিজ সুপার মার্কেটের ১৪ তলার একটি ফ্ল্যাটে একাই বসবাস করতেন ফারাহ। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার ফুলতলা উপজেলায়। তিনি অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক আবদুর রশীদের বড় মেয়ে। গত ২৩ জুন দুপুরে ছোট বোনের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল তার। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ বের হলে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। পরে ফারাহর ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে।

মরদেহ উদ্ধারের বিবরণ

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) একরামুল হক জানান, ফ্ল্যাটের ভেতরে খাটের ওপর বসা অবস্থায় টেবিলের ওপর মাথা নোয়ানো অবস্থায় ফারাহর মরদেহ পাওয়া যায়। ততক্ষণে মরদেহে পচন ধরেছিল। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফারাহর আগে থেকে গুরুতর কোনো শারীরিক সমস্যাও ছিল না। তাই প্রাথমিকভাবে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ছোট বোন নজুলা ফেরদৌস। তিনিও একজন চিকিৎসক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউরোসার্জারি কোর্সে অধ্যয়নরত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ