১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর চিকিৎসাসেবায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল (সিপিএইচ)। রাজারবাগের এই হাসপাতালে প্রথমবারের মতো সফলভাবে পারকিউটেনিয়াস করোনারি ইন্টারভেনশন বা করোনারি এনজিওপ্লাস্টি (হার্টের রিং পরানো) সম্পন্ন হয়েছে। রোববার হাসপাতালের আধুনিক ক্যাথ ল্যাবে এ অস্ত্রোপচার করা হয়।
অস্ত্রোপচার ও রোগীর অবস্থা
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল এ সফল অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন। হৃদরোগে আক্রান্ত প্রথম রোগী ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের একজন সদস্য। অস্ত্রোপচারের পর তাকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
পুলিশ সদস্যদের জন্য নতুন দিগন্ত
কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে এই বিশেষায়িত সেবা চালু হওয়ার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর হৃদরোগ চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হলো। এখন থেকে বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্য এবং তাদের পরিবারবর্গ জরুরি কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশনসহ আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক হৃদরোগ চিকিৎসা আরও দ্রুত, সহজে ও সাশ্রয়ী মূল্যে গ্রহণ করতে পারবেন।
হাসপাতালের অঙ্গীকার
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক জানান, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সংযোজন, দক্ষ জনবল গঠন এবং বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জন্য উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালটি অঙ্গীকারবদ্ধ। এই ধারাবাহিকতায় হৃদরোগ চিকিৎসায় এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করা হলো।



