বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাক্রম চালু: প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে পরিবর্তন
নতুন শিক্ষাক্রম চালু: প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে পরিবর্তন

বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় নতুন শিক্ষাক্রম চালু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, এই শিক্ষাক্রম ২০২৩ সাল থেকে কার্যকর হবে। এতে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষা দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নতুন শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য

নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়েছে। বার্ষিক পরীক্ষার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে। শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশের ওপর জোর দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'এই শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের জীবনমুখী শিক্ষা দেবে। তারা শুধু মুখস্থ না করে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারবে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাস্তবায়ন পরিকল্পনা

প্রথম ধাপে ২০২৩ সালে প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে এই শিক্ষাক্রম চালু হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতেও চালু করা হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

নতুন শিক্ষাক্রমে ১০টি ভিন্ন ভিন্ন শিখন ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ভাষা, গণিত, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, শিল্প ও সংস্কৃতি, শারীরিক শিক্ষা, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, পেশাগত শিক্ষা এবং প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত।

সমালোচনা ও চ্যালেঞ্জ

শিক্ষাবিদদের মতে, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা প্রধান সমস্যা। এছাড়া অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করছে, এই শিক্ষাক্রম শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করবে এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ