বাংলাদেশের নতুন শিক্ষানীতি: ডিজিটাল শিক্ষার ওপর জোর
বাংলাদেশের নতুন শিক্ষানীতি: ডিজিটাল শিক্ষার ওপর জোর

নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা

বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছে, যেখানে ডিজিটাল শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

নতুন শিক্ষানীতির লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই নীতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ রাখা হবে।

ডিজিটাল শিক্ষার গুরুত্ব

নীতিমালায় ডিজিটাল শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন জরুরি।’ এ জন্য স্কুল ও কলেজে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কারিগরি প্রশিক্ষণ

নতুন শিক্ষানীতিতে কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে কারিগরি প্রশিক্ষণের সম্প্রসারণ করা হবে।’ এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করা হবে।

বাজেট ও বাস্তবায়ন

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই নীতি বাস্তবায়নে সরকার ইতিমধ্যে ৫০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছে। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মান উন্নয়নে এ বাজেট যথেষ্ট হবে না, তবে ধাপে ধাপে আরও বরাদ্দ বাড়ানো হবে।’

নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতামত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই নীতি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ