নেত্রকোনার মদন উপজেলায় মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোনা অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহসিনা ইসলাম এ আদেশ দেন।
রিমান্ডের আবেদন ও আদেশ
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে র্যাব-১৪ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার বিবরণ
মামলার নথি অনুযায়ী, নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার গত ২৩ এপ্রিল অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন।
আইনি প্রক্রিয়া
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নুরুল কবীর রুবেল এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান ডায়মন্ড।



