বগুড়ার গাবতলীতে সেচপাম্প পাহারায় কৃষক আবদুল লতিফকে কুপিয়ে হত্যা
গাবতলীতে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, পূর্বশত্রুতার সন্দেহ

বগুড়ার গাবতলীতে সেচপাম্প পাহারায় কৃষককে নৃশংস হত্যা

বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলায় এক অগভীর নলকূপের সেচপাম্প পাহারায় থাকা অবস্থায় ৭০ বছর বয়সী কৃষক আবদুল লতিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি শনিবার রাতের কোনো এক সময়ে সংঘটিত হয়েছে বলে স্থানীয় পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

আবদুল লতিফ গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের নিশিন্দারা পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি শনিবার রাতে তাঁর অগভীর নলকূপের সেচপাম্প পাহারা দিতে বাড়ি থেকে বের হন। রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং লাশটি পাশের ধানখেতে ফেলে রেখে যায়।

রোববার সকালে স্থানীয় কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে ধানখেতে লাশ পড়ে থাকতে দেখে গাবতলী মডেল থানায় খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত

গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাকিব হোসেন জানিয়েছেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আবদুল লতিফের শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম পাওয়া গেছে, যা হত্যার নৃশংসতা নির্দেশ করে।

পুলিশ এখন হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। তদন্ত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনায় গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। কৃষক আবদুল লতিফের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই হত্যাকাণ্ড কৃষক সম্প্রদায়ের জন্য একটি বড় আঘাত হিসেবে দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে যারা মাঠে রাতের বেলা পাহারা দিতে বাধ্য হন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।