রাজবাড়ীতে ফিলিং স্টেশনে ট্রাক দুর্ঘটনায় দুই জন নিহত, চালক পালিয়েছেন
রাজবাড়ীতে ফিলিং স্টেশনে ট্রাক দুর্ঘটনায় দুই নিহত

রাজবাড়ীতে ফিলিং স্টেশনে ট্রাক দুর্ঘটনায় দুই জন নিহত

রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ের একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা একটি ট্রাকের চাপায় অপর একটি ডাম্প ট্রাকের চালক ও আরেকটি ট্রাকের সহকারী নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৭টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ের সপ্তবর্ণা ফিলিং স্টেশনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতদের পরিচয়

নিহত ব্যক্তিরা হলেন রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ব্র্যাক পাড়ার সোবাহান পাটোয়ারী (৪৫) ও ঢাকার ধামরাই উপজেলার নান্নার গ্রামের স্বপন মিয়া (২২)। সোবাহান পাটোয়ারী ছিলেন ডাম্প ট্রাকের চালক, আর স্বপন মিয়া ছিলেন ঢাকা থেকে বেনাপোলগামী একটি ট্রাকের সহকারী।

দুর্ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডাম্প ট্রাকের মালিক সোবাহান পাটোয়ারী নিজেই ট্রাকটি চালিয়ে তেল নেওয়ার জন্য রাত সাড়ে সাতটার দিকে গোয়ালন্দ মোড়ে সপ্তবর্ণা ফিলিং স্টেশনে আসেন। তিনি ট্রাক থেকে নেমে ডিজেল সরবরাহকারী ফুয়েল ডিসপেনসার মেশিনের সামনে দাঁড়ান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যদিকে, ঢাকা থেকে বেনাপোলগামী অন্য একটি ট্রাকের সহকারী স্বপন মিয়াও ট্রাক সিরিয়ালে রেখে ফুয়েল ডিসপেনসার মেশিনের সামনে দাঁড়ান। একটি মাহিন্দ্রা গাড়ির তেল নেওয়া শেষ হলে, আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা আরেকটি ট্রাকের চালক গাড়ি চালানোর সঙ্গে সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনের মাহিন্দ্রাতে ধাক্কা দেয়।

এই ধাক্কার ফলে মাহিন্দ্রার সামনে থাকা সোবাহান পাটোয়ারী ও স্বপন মিয়াকে চাপা দেয়, যার ফলে তাঁরা গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের উভয়কে মৃত ঘোষণা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তদন্ত ও ব্যবস্থা

রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. হারুন-অর-রশিদ জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন। পুলিশ এখন তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

এই দুর্ঘটনা সড়ক নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। স্থানীয়রা এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আরও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।