সখীপুরে বন্যা ইয়াসমিনের মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
সখীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় বন্যা ইয়াসমিন (২৪) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বন্যা ইয়াসমিন সখীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাহারতা গ্রামের মুন্না মিয়ার স্ত্রী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা সেলিম কবির জানান, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মুন্না মিয়া তাঁর স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে হাসপাতালে আসেন। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের কাছে জানতে চান, তাঁর স্ত্রী মারা গেছেন, নাকি বেঁচে আছেন। পরে চিকিৎসক ইসিজি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন, বন্যা ইয়াসমিন আগেই মারা গেছেন। এ খবর জানার পর মুন্না মিয়া হাসপাতালেই মরদেহ রেখে চলে যান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুন্না মিয়ার এক বন্ধু বলেন, অনলাইনে জুয়া খেলে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন মুন্না। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কলহ হতো। গত বৃহস্পতিবার রাতে জুয়া খেলে দেরিতে বাড়ি ফেরাকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে মুন্না তাঁর স্ত্রীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই বন্ধু আরও জানান, সকালে তাঁদের আড়াই বছরের মেয়ের চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে মুন্না মিয়া দেখতে পান, তাঁর স্ত্রী ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছেন। পরে তিনি মরদেহ নামিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বামী মুন্না মিয়া পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যা ইয়াসমিনের পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করা হয়েছে।