চট্টগ্রামে আরও ৯ ফ্লাইট বাতিল, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব
চট্টগ্রামে ৯ ফ্লাইট বাতিল, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব

চট্টগ্রামে আরও নয়টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরও নয়টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বুধবার বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের বিমানবন্দর বন্ধের প্রভাব

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, চলমান সংঘাতের কারণে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় ফ্লাইট বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাতিলকৃত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইট – মধ্যপ্রাচ্য থেকে একটি আগমন ও একটি প্রস্থান ফ্লাইট
  • ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুবাই থেকে একটি আগমন ফ্লাইট
  • এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটে দুটি আগমন ও দুটি প্রস্থান ফ্লাইট
  • সালামএয়ারের মাসকাট রুটে একটি আগমন ও একটি প্রস্থান ফ্লাইট

কিছু ফ্লাইট চালু থাকলেও চলছে অনিশ্চয়তা

যদিও সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের চারটি আগমন ও তিনটি প্রস্থান ফ্লাইট সচল রয়েছে। তবে বিমানবন্দর কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবির আকাশসীমায় চলমান অনিশ্চয়তা এই রুটগুলোর ফ্লাইট পরিচালনায় আবারও ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে ব্যাঘাত

বিমানবন্দর সূত্র অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই পরিস্থিতিতে আজকের নয়টি ফ্লাইটসহ মোট ১৩৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এমন ব্যাঘাত চলতে পারে।

বিমানবন্দরের একজন কর্মকর্তা বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনায় অনিশ্চয়তা থাকবে। আমরা যাত্রীদের সুবিধার্থে বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছি।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সংকটের প্রভাবে হাজার হাজার যাত্রী তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই বিকল্প ফ্লাইট বা রুট খুঁজছেন, আবার কেউ কেউ তাদের ভ্রমণ স্থগিত করছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের পরামর্শ দিয়েছেন যে তারা যেন তাদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে ফ্লাইটের হালনাগাদ তথ্য জেনে নেন। এছাড়া অনলাইন চেক-ইন ও ফ্লাইট স্ট্যাটাস চেক করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে এই ব্যাঘাত বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও পর্যটন খাতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির যাতায়াতেও এই সংকট প্রভাব ফেলছে।