রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে জামায়াত আমিরের অভিযোগ: '৫ আগস্টের ঘটনা চেপে গেছেন'
রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে জামায়াত আমিরের অভিযোগ

রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে জামায়াত আমিরের তীব্র প্রতিক্রিয়া

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের একটি দুই পর্বের সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার গঠন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি নিয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই চেপে গিয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি পত্রিকায় প্রকাশিত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সাক্ষাৎকারে গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার গঠন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার অনেক তথ্য উঠে এসেছে। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ওইদিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াত আমিরের ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ

সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর মঙ্গলবার বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে জামায়াত আমির এ দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, '৫ আগস্ট ২০২৪ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই চেপে গিয়েছেন। কথিত পলাতক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে উনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন, তার বর্তমান বক্তব্যে তিনি তা স্বীকার করেননি। এখন যা বলছেন, সেদিন তার কিছুই তিনি বলেননি।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'কোটি কোটি মানুষ যা শুনল এবং সেদিন তিনি যা বললেন আর এখন যা বলছেন, তার হিসেব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি? জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এ রকম আচরণ অগ্রহণযোগ্য।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিক্রিয়া

এ ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেছে। রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার এবং জামায়াত আমিরের প্রতিক্রিয়া দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশিত হচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আগেও বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে, তবে রাষ্ট্রপতির সরাসরি সাক্ষাৎকারের পর এমন অভিযোগ উল্লেখযোগ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এটি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক আলোচনাকে প্রভাবিত করতে পারে।