আপিল বিভাগের রায়ে বাতিল হলো আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকীর করা আপিল মঞ্জুর করে আজ মঙ্গলবার রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এই রায়ের ফলে আসনটিতে কি পুনরায় নির্বাচন হবে, নাকি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্ন উঠেছে।
আইনজীবীর বক্তব্য: ঋণখেলাপি প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ অবৈধ
রায়ের পর এক ব্রিফিংয়ে আনোয়ার সিদ্দিকীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, আসলাম চৌধুরী ঋণখেলাপি হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, এবং এই রায়ের মাধ্যমে তাঁর অংশগ্রহণ অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আসনটিতে কী হবে তা আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে বিস্তারিত জানা যাবে। সাধারণত কোনো আসনে প্রথম হওয়া ব্যক্তি অযোগ্য হলে দ্বিতীয় স্থান পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়, তবে আপিল বিভাগ বিশেষ কোনো নির্দেশনা দিতে পারে।
অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত: পরবর্তী নির্বাচনে বাধা নেই
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের অযোগ্যতা সারা জীবন থাকে না। আসলাম চৌধুরী পূর্ববর্তী নির্বাচনের ফল ভোগ করতে না পারলেও পরবর্তী নির্বাচনে যদি অযোগ্যতা কাটিয়ে ওঠেন, তাহলে তাঁর প্রার্থী হওয়ায় আইনগত বাধা থাকবে না।
নির্বাচনের ফলাফল ও মামলার ইস্যু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফলে সর্বোচ্চ ভোট পান বিএনপির আসলাম চৌধুরী, আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান জামায়াতের আনোয়ার সিদ্দিকী। মামলার মূল ইস্যু ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় আসলাম চৌধুরী ঋণখেলাপি ছিলেন কি না।



