প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা ও প্রত্যাবর্তনে রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন: ৪ শীর্ষ ব্যক্তির উপস্থিতি নির্ধারণ
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রায় রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন, ৪ শীর্ষ ব্যক্তির উপস্থিতি

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা ও প্রত্যাবর্তনে রাষ্ট্রাচারে পরিবর্তন: ৪ শীর্ষ ব্যক্তির উপস্থিতি নির্ধারণ

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় বা স্বাগতম জানাতে বিমানবন্দরে মাত্র চার শীর্ষ ব্যক্তির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন রাষ্ট্রাচারের বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘‘সরকার এ মর্মে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গ বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন— মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।’’

এই পরিবর্তনের মাধ্যমে রাষ্ট্রাচার প্রক্রিয়াকে আরও সংহত ও কার্যকর করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পূর্বে, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে প্রটোকল অনুযায়ী বিস্তৃত ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি ছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্বের রীতির তুলনা

এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে প্রটোকল অনুযায়ী নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকতেন:

  • মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ
  • সামরিক ও অসামরিক বাহিনীর প্রধানরা, যেমন তিন বাহিনী প্রধান
  • প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

নতুন নিয়মে এই বিস্তৃত তালিকা সংকুচিত করে কেবল চার শীর্ষ ব্যক্তির উপস্থিতি নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সময় ও সম্পদের অপচয় রোধে সহায়ক হতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব

এই রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন সরকারি কার্যক্রমের গতি ও সংগঠনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন। মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং মুখ্য সচিবের উপস্থিতি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা বজায় রাখার পাশাপাশি প্রক্রিয়াটি সরলীকরণ করা হয়েছে।

এটি প্রধানমন্ত্রীর সফর সংক্রান্ত প্রটোকলকে আরও সুসংহত ও নিয়মিত করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান পরিচালনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।