প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরে উপস্থিতির নতুন বিধিমালা ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বিমানবন্দরে উপস্থিতির নতুন বিধি

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরে উপস্থিতির নতুন বিধিমালা ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদেশ সফর এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে বিমানবন্দরে মাত্র চারজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নতুন বিধিমালার বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নতুন বিধিমালা জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও দেশে ফিরে আসার সময় বিমানবন্দরে যারা উপস্থিত থাকবেন, তারা হলেন:

  • মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী
  • চিফ হুইপ
  • মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  • প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব

এই নতুন নিয়মটি আগের প্রটোকল থেকে ভিন্নতা তৈরি করেছে, যা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলিকে আরও সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্বের প্রটোকলের পরিবর্তন

এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে প্রটোকল অনুযায়ী বিমানবন্দরে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যেত। সেসময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সামরিক ও অসামরিক বাহিনীর প্রধানগণ, যেমন তিন বাহিনীর প্রধান, এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকতেন।

এই পরিবর্তনটি সরকারের রাষ্ট্রাচার সংক্রান্ত নীতিতে একটি মৌলিক সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা সরকারি কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা হ্রাস করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমকে আরও সুসংহত ও দ্রুতগতিতে পরিচালনা করার পথ সুগম করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যত সফরগুলোতে বিমানবন্দরে উপস্থিতির সংখ্যা সীমিত হয়ে আসবে, যা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলির আয়োজনে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে। সরকারের এই পদক্ষেপটি প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।