শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত, জানালো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক অনুরোধটি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই বিষয়টি তাদের বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

ভারতের মুখপাত্রের বক্তব্য

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুরোধটি খতিয়ে দেখছি।” এই মন্তব্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি উত্থাপনের পর ভারতের প্রথম প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কূটনৈতিক বৈঠকের প্রেক্ষাপট

এর আগে গত ৮ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর-এর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে বলে জানা গেছে, যা এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভারতের পর্যবেক্ষণ ও আলোচনা

রণধীর জয়সওয়াল আরও জানান, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তিনি বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও মন্তব্য করে বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে উভয় পক্ষই কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই প্রত্যর্পণ অনুরোধের বিষয়টি ভারতের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হবে, যা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।