পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শ‌রিফ ঢাকায় আসতে চান, তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ কামনা
শাহবাজ শ‌রিফ ঢাকায় আসতে চান, তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শ‌রিফ ঢাকায় আসতে আগ্রহী, তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ চান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শ‌রিফ বাংলাদেশ সফরে আসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। এই ইচ্ছা সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রকাশ পেয়েছে।

জেদ্দায় দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে আলোচনা

শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, জেদ্দায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ফিলিস্তিনবিষয়ক কার্যনির্বাহী সভার ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের মধ্যে একটি সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে ইসহাক দার জানান যে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শ‌রিফ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এবং তিনি ঢাকায় আসতে চান।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসহাক দার এই বৈঠকে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সাক্ষাতের কথাও স্মরণ করেন। এটি দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে আশাবাদ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শ‌রিফের পক্ষ থেকে ইসহাক দার আরও বলেন, নতুন সরকারের অধীনে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাবে। তিনি ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রশংসা করেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেয়।

এই সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন, যা বৈঠকের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এটি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই উন্নয়ন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে। দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে আরও গভীর বোঝাপড়া ও সমঝোতার পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।