স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার বলেছেন, বর্তমান সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে চায় এবং দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কাজ করবে।
বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে। তিনি জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ী গ্যাস উত্তোলনের জন্য তিন মাসের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করবে সরকার।
মন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানের পরিকল্পনাও ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইতিবাচক রয়েছে।
এর আগে এক সংলাপে বক্তৃতাকালে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্ব বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য। তিনি বলেন, “অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি খাতের অগ্রগতি ও নীতি সংস্কারের মাধ্যমে আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছি।”
সংলাপে বক্তারা
ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর) ঢাকার শেরাটন হোটেলে “সি.ও.এম.পি.এ.এস.এস. সংলাপ, অধ্যায় ১: দ্য ওয়েস্টার্ন ক্যালিব্রেশন” শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনিন্দা ইসলাম অমিতসহ অন্যরাও সংলাপে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার একটি টেকসই ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করছে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিদেশি প্রতিনিধিদের সক্রিয় উপস্থিতিকে বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগ্রহ ও আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ব অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও নতুন বিনিয়োগ ক্ষেত্র তৈরি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সংলাপে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধি, পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক, গবেষক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।



