পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে হেভিওয়েটদের জমজমাট প্রচারণা
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার আগে হেভিওয়েটদের প্রচারণা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। একদিনেই একাধিক শীর্ষ নেতা মাঠে নামায় পুরো রাজ্যে ব্যাপক নির্বাচনী উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

শাসক ও বিরোধী শিবিরের হেভিওয়েটরা

একদিকে শাসক দলের প্রচারণা চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের হয়ে মাঠে নেমেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। পিছিয়ে নেই কংগ্রেসও; বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একইদিনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় যোগ দেন।

আজকের দিনটি কেন গুরুত্বপূর্ণ

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বড় ধরনের প্রচারণার জন্য আজকের দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি দলই তাদের শক্তি এবং জনসমর্থন প্রদর্শনে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাহুল গান্ধীর কর্মসূচি

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা বিকেল ৩টায় হুগলির শ্রীরামপুরের গুমোডাঙা স্কুল মাঠে জনসভা দিয়ে। এরপর বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে কলকাতার শহিদ মিনারে একটি বড় জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। দিনের শেষ সভা নির্ধারিত রয়েছে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে মেটিয়াবুরুজ হাইস্কুল মাঠে।

অমিত শাহের ব্যস্ত সূচি

অমিত শাহের কর্মসূচিও যথেষ্ট ব্যস্ত। দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে তিনি জামালপুরের সেলিমাবাদ তরুণ সংঘের মাঠে জনসভা করবেন এবং বিকেল ৪টায় শ্যামপুরে ইন্ডিয়ান অয়েল পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় তার আরেকটি সভা রয়েছে। এরপর বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে হাওড়ার রামরাজাতলা শঙ্কর মঠ থেকে ঘোষপাড়া পর্যন্ত একটি বিশাল রোড শো করবেন তিনি। দিনের শেষ কর্মসূচি সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে রানিকুঠি মোড় থেকে যুব সংঘ মাঠ পর্যন্ত প্রচার চালাবেন তিনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তৃণমূলের প্রচারণা

একাধিক কর্মসূচি আছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসেরও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় জনসভা ও রোড শো করবেন। তারা উন্নয়ন এবং সামাজিক প্রকল্পের কথা তুলে ধরে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আজকের এই ‘হাইভোল্টেজ’ প্রচার আসলে ভোটের আগে শেষ মুহূর্তের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। প্রতিটি দলই চেষ্টা করছে নিজেদের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে এবং অনিশ্চিত ভোটারদের প্রভাবিত করতে। গত কয়েক দিনে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এই প্রচারকে ঘিরে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় জনসভা এবং রোড শো ঘিরে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।