নয়াদিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২২ জনের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক মো. নুরুল আমিন (৪৪) রয়েছেন। বুধবারের এই দুর্ঘটনায় সাত দেশের নাগরিক প্রাণ হারান।
মরদেহ দেশে আনার উদ্যোগ
বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, নিহতের মরদেহ যথাসম্ভব দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে।
আহত পরিবারের অবস্থা
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জানা গেছে, আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুই বাংলাদেশি পরিবার। তারা চিকিৎসার জন্য দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে এসেছিলেন। হাইকমিশন আহত ও তাদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
হাইকমিশনের কার্যক্রম
ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদউল্লাহ ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সব বাংলাদেশি নাগরিকের সঙ্গে দেখা করেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাদের অবস্থা জানেন। হাসপাতালে হাইকমিশনের কর্মীরা ২৪ ঘণ্টা অবস্থান করছেন এবং জরুরি প্রয়োজনে সহায়তা দিচ্ছেন।
হাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখে আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করছে।



