বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাক্রম: শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে বড় পরিবর্তন
নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়নে বড় পরিবর্তন

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পূর্ণ বদলে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে শুধু পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সার্বিক দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই করা হবে।

নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি কী?

নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন হবে ধারাবাহিক ও বহুমুখী। শিক্ষার্থীদের শিখন ফলাফল, ব্যবহারিক দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা যাচাই করা হবে। এতে করে শিক্ষার্থীরা মুখস্থবিদ্যার পরিবর্তে বাস্তবমুখী শিক্ষায় উৎসাহিত হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই পদ্ধতিতে প্রতি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন হবে তিনটি ধাপে। প্রথম ধাপে থাকবে শিখনকালীন মূল্যায়ন, দ্বিতীয় ধাপে পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন এবং তৃতীয় ধাপে সমাপনী মূল্যায়ন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কেন এই পরিবর্তন?

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়, যা তাদের প্রকৃত দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই করতে ব্যর্থ হয়। নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিবর্তনের ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার জন্য পড়ালেখা না করে বরং জ্ঞান অর্জন ও দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগী হবে। এটি দীর্ঘমেয়াদে দেশের শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করতে সাহায্য করবে।

কবে থেকে কার্যকর হবে?

নতুন শিক্ষাক্রম আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। প্রথমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কিছু শ্রেণিতে চালু করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে সব শ্রেণিতে সম্প্রসারিত হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ‘নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষকদেরও এই পদ্ধতির জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ