সংসদ সদস্য ভবনের আসবাবপত্র ক্রয়ে কঠোর সতর্কতা জারি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ভবনের জন্য আসবাবপত্র ক্রয়ে অতীতের ‘বালিশ, পর্দা বা ছাগল কাণ্ড’র মতো অনিয়ম যাতে আর না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে সংসদীয় কমিটি। একই সঙ্গে আসবাবপত্রের মান নিশ্চিত করা এবং ক্রয়মূল্য যৌক্তিক রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বৈঠকের মূল সিদ্ধান্তসমূহ
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। বৈঠকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্যদের আবাসনের সংস্কার ও মেরামত কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে এসব বাসা বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শেরে-ই-বাংলা নগরের এমপি হোস্টেলের ১৫৬টি অফিস কক্ষ সংস্কারের অগ্রগতিও আলোচনা হয়।
সাব-কমিটি গঠন ও উন্নয়ন উদ্যোগ
সংসদ ভবনের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে দুটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে সংসদ অধিবেশন কক্ষের সাউন্ড সিস্টেমের ত্রুটি চিহ্নিত করতে রকিবুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ক্যান্টিনের খাবার, পানির মান এবং এমপি ভবনের আসবাবপত্রের গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য নায়ার ইউসুফ আহমেদকে আহ্বায়ক করে আরেকটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অতিরিক্ত সেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
এছাড়া সংসদ সদস্যদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদের মেডিকেল সেন্টারে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়া এলাকার এমপি হোস্টেলগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী এবং সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



