জাতীয় সংসদে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উনসত্তরের গণ–অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা তোফায়েল আহমেদ ও সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনসহ ১৬ জন সাবেক মন্ত্রী–সংসদ সদস্য; পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশুটিসহ চার শিশু এবং বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে জাতীয় সংসদ।
বাজেট অধিবেশনে শোক প্রস্তাব
রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) শুরুতে তাদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে শোক প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে তা সংসদে গৃহীত হয়। প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও পরে মোনাজাত করা হয়।
শোক প্রস্তাবে যাদের নাম
যেসব সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে সংসদ শোক প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন—আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন, এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এ বি এম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন, শফিক আহমেদ, দশম সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল মতিন, বিএনপির সরকারের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা ও অধ্যাপক এম এ মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জি এম ফজলুল হক, জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, গোলাম সারোয়ার মিলন এবং সিপিবির সংসদ মো. সামসুদ্দোহা।
বিশিষ্টজন ও শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধা
এ ছাড়া স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী শিক্ষাবিদ অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সন্জীদা খাতুন, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লেখক বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, সংঘরাজ ড. জ্ঞানীশ্রী মহাস্থবির, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জাতীয় সংসদ। এ ছাড়া ধর্ষণের পর হত্যার শিকার চার শিশুর মৃত্যুতেও শোক প্রকাশ করা হয়েছে।



