মানি লন্ডারিং মামলায় এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়ার ১০ বছর কারাদণ্ড
এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড মানি লন্ডারিং মামলায়

আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক ভূঁইয়া ওরফে এনু ও তাঁর ভাই রুপন ভূঁইয়াকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা একটি মামলায় ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের ৬৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামিদের স্থাবর–অস্থাবর সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণা ও বিচারিক প্রক্রিয়া

আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬–এর বিচারক নূরে আলম ভূঞা এ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আট আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মো. সেলিম খান প্রথম আলোকে বলেন, 'দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে আজ এই মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। আদালত আসামিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৬৪ কোটি টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া আসামিদের স্থাবর–অস্থাবর সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।'

মামলার বিবরণ

আদালত সূত্র জানায়, অবৈধভাবে অর্জিত ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা গোপনে হেফাজতে রেখে আড়াল করার অভিযোগে ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ওয়ারী থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন র্যাব-৩–এর নায়েব সুবেদার রমজান আলী। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ আগস্ট এনু, রুপন ও তাঁদের আট সহযোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী মামলা

এর আগে একই আদালতে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের আরেকটি মামলায় ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি এনু ও রুপনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় তাঁদের ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ