নোয়াখালীতে রূপালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড, জাল স্বাক্ষরে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ
নোয়াখালীতে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড, জাল স্বাক্ষরে আত্মসাৎ

নোয়াখালীতে রূপালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় গ্রাহকদের সই জাল করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রূপালী ব্যাংকের সাবেক এক ব্যবস্থাপককে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার পরিচয়

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার নাম মো. বেলায়েত হোসেন। তিনি সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ গ্রামের বাসিন্দা এবং রূপালী ব্যাংক পিএলসির সোনাইমুড়ী শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি বেলায়েত হোসেন পলাতক ছিলেন, ফলে তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ

আদালত সূত্রে জানা যায়, বেলায়েত হোসেন ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি ৫৬ জন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে নগদ ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। দুদকের প্রাথমিক তদন্তে এই অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া

মামলাটি তদন্ত করে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন নোয়াখালী দুদকের আইনজীবী মোহাম্মদ জহির উদ্দিন। তিনি বলেন, আদালত ৫৬ গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে তিন ধারায় আসামিকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

এই ঘটনা ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতির একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা গ্রাহকদের আস্থা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। আদালতের এই রায় দুর্নীতি দমনে একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ