যুবদল কমিটি বিতর্ক: পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, সভাপতির ব্যাখ্যা
যুবদল কমিটি বিতর্ক: পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ

রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেছেন সদ্য ঘোষিত জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান না পাওয়া নেতারা। তাদের অভিযোগ, কমিটিতে ত্যাগীদের নয়, ‘মাইম্যান’দের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে যুবদল সভাপতির দাবি, কমিটিতে যোগ্যদেরই মূল্যায়ন করা হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণ ও অভিযোগ

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে এ কর্মসূচিতে প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী অংশ নেন। তাদের অভিযোগ, বিগত ১৬ বছর জেল-জুলুম, মামলা-হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তারা নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পাননি। তাদের পরিবর্তে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে।

পদবঞ্চিতদের দাবি, কমিটিতে ত্যাগ ও অবদানের মূল্যায়ন না করে ‘মাইম্যান’দের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা সংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অবিলম্বে পদবঞ্চিতদের যথাযথ মূল্যায়ন না করলে যুবদল সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নেতাদের বক্তব্য

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পদবঞ্চিত নেতা বলেন, “যুবদলই আগামী দিনের বিএনপির মূলধারার নেতৃত্ব দেবে। ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।”

একই সময়ে নয়াপল্টনে সদ্য ঘোষিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।

সভাপতির ব্যাখ্যা

এ সময় যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, হাইকমান্ডের নির্দেশনা মেনে যাচাই-বাছাই করে ১৫১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরপর যাদের কমিটিতে রাখা সম্ভব হয়নি, তাদের জন্য চেষ্টা করা হবে। তাই কারও হতাশ হওয়ার কারণ নেই।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উল্লেখ্য, গত ৪ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়। এতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।