জনগণের কল্যাণে কাজ শুরু করেছে বিএনপি সরকার: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান শনিবার দাবি করেছেন যে, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই জনগণের কল্যাণে কাজ শুরু করেছে। তিনি বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষক কার্ড ও পরিবার কার্ড বিতরণ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও হাতে নেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের বাসাইলে নতুন সেতুর উদ্বোধন
মন্ত্রী শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপোনাজর এলাকায় ঝিনাই নদীর উপর নির্মিত একটি নতুন সেতুর উদ্বোধন করে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার প্রায় শূন্য সম্পদ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। ড. ইউনুস নেতিবাচক অবস্থা থেকে অন্তত নিরপেক্ষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলেন এবং বর্তমান সরকার সেখান থেকে শুরু করেছে।
রাষ্ট্রীয় কোষাগারে সীমিত তহবিল থাকা সত্ত্বেও উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের দক্ষ নেতৃত্বে বাসাইল ও সখিপুর উপজেলা সহ সারাদেশে উন্নয়ন কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দাপোনাজর সেতুটি উদ্বোধন করা হয়েছে।
সখিপুরে রাস্তা ও স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘোষণা
আহমেদ আজম খান আরও ঘোষণা করেন যে, সখিপুর উপজেলায় একটি রাস্তা ও একটি স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে দিনের বাকি সময়ে। গত সপ্তাহে বাসাইল উপজেলার সিংগারদাক ও পাথরঘাটার মধ্যে আরেকটি সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সরকারের মেয়াদে বাসাইল-সখিপুর উপজেলা এবং সারাদেশে একটি 'উন্নয়নের ঢেউ' সৃষ্টি হবে, যা সকল নাগরিকের সুবিধা নিশ্চিত করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যারা
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ আকলিমা বেগম, টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম, বাসাইল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর নবী আবু হায়াত খান নাবু এবং বাসাইল পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান তুহিন প্রমুখ।
সেতুর নির্মাণ ব্যয় ও সুবিধা
ঝিনাই নদীর উপর নির্মিত এই ২৮২ মিটার দৈর্ঘ্যের গার্ডার সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৯ কোটি ৯৬ লাখ ২৬ হাজার ৭৪৮ টাকা। সেতুটি বাসাইল উপজেলার উত্তরাঞ্চলের এক লাখেরও বেশি মানুষের সরাসরি সড়ক সংযোগ সুবিধা প্রদান করে টাঙ্গাইল সদরের সাথে যোগাযোগ সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



