নোয়াখালীতে শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে আওয়ামী লীগের ৬ কর্মী পুলিশের হাতে আটক
নোয়াখালীতে শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে আ. লীগের ৬ কর্মী আটক

নোয়াখালীতে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আওয়ামী লীগের ছয় কর্মী আটক

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ছয় নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে আটকদের নোয়াখালী বিচারিক আদালতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল হাকিম।

আটকের সময় ও স্থান

শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কোম্পানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে এই ছয়জনকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে তারা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যান। এ সময় তারা 'মির্জা ভাই ভয় নাই', 'রাজপথ ছাড়ি নাই', 'কোম্পানীগঞ্জের মাটি' এবং 'ওবায়দুল কাদেরের ঘাটি' সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাদের আটক করে।

আটক ব্যক্তিদের পরিচয়

আটকরা হলেন:

  • মো. সোহেল (৪৫ বছর)
  • সিরাজুল হক মঞ্জু (৩৫ বছর)
  • শরিয়ত উল্যাহ মিলন (৪৫ বছর)
  • মো. হুমায়ুন কবির (৪০ বছর)
  • মো. শেখ ফরিদ (৪০ বছর)
  • জাহাঙ্গীর আলম (৪৫ বছর)
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, আটকরা আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে জানা গেছে এবং তাদের নোয়াখালীর বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রসঙ্গ

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ রয়েছে, যা এই ঘটনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। পুলিশের এই পদক্ষেপ স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠানে এমন আটকাদেশ রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। কেউ কেউ পুলিশের ব্যবস্থাকে সমর্থন করলেও, অন্যরা রাজনৈতিক কর্মীদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। আদালতে তাদের বিচার প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, তা এখন সকলের নজরে।