রাজধানীর আদাবরের শ্যামলী হাউজিং দ্বিতীয় প্রকল্প এলাকায় ছিনতাই ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে জাহিদ (৩৮) নামে যুবককে স্থানীয়রা আটক করে সংঘবদ্ধ হয়ে পিটুনি দিয়েছেন। পরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শনিবার (২৭ জুন) সকালের দিকে ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার বিবরণ
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আদাবর থানার এসআই মো. ইয়ামিন সরকার বলেন, “আমরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে, প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে একটি মামলায় আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর সেখান থেকে আদালতের পাশে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।”
পরে ময়নাতদন্তের জন্য রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হয় বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
জাহিদের পরিচয় ও পূর্ব ইতিহাস
তিনি বলেন, “জাহিদ ছিল মাদকাসক্ত যুবক। সব সময় নেশা করতো। পরিবারের সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ নাই। সে মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা চেয়ে নিয়ে খায়। না পেলে ছিনতাই করে এবং ছুরিকাঘাতের ভয় দেখিয়ে জোর করে টাকা পয়সা নিতো। শ্যামলী হাউজিং এলাকায় থাকতো।”
তিনি আরও বলেন, “আজ জনৈক খোরশেদ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে সেখানকার লোকজন তাকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।”
পরিবার ও মামলা
প্রসঙ্গত, ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার মহেশখালী গ্রামের জয়নাল মিয়া ছেলে জাহিদ।
এই ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আদাবর থানার এসআই।



