ডিজিএফআই-র সাবেক প্রধান মামুন খালেদের জেল হাজতে প্রেরণ, মামলায় জামিন নাকচ
ডিজিএফআই-র সাবেক প্রধান মামুন খালেদ জেলে

ডিজিএফআই-র সাবেক প্রধান মামুন খালেদের জেল হাজতে প্রেরণ

ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-র সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে হত্যা মামলায় একাধিক রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম সোমবার তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার কৌঁসুলি এসআই রুকনুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের ধারাবাহিকতা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল ২৫ মার্চ রাত ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে দেলওয়ার ও মকবুল হত্যা মামলার সূত্রে একাধিক রিমান্ডে প্রেরণ করা হয়।

  • প্রাথমিকভাবে পাঁচ দিনের রিমান্ড
  • ৩১ মার্চ ছয় দিনের রিমান্ড
  • ৬ এপ্রিল তিন দিনের রিমান্ড
  • রবিবার মঞ্জুরকৃত এক দিনসহ মোট চার দিনের অতিরিক্ত রিমান্ড

রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি এসআই কফিল উদ্দিন তাকে আদালতে হাজির করে জেলে প্রেরণের জন্য আবেদন করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালতে জামিন শুনানি ও প্রতিনিধিত্ব

জামিন শুনানির সময় আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট মোর্শেদ হোসেন শাহীন ও অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম পাখি উপস্থিত ছিলেন। আদালত তাদের যুক্তি শোনার পর মামুন খালেদের জামিন আবেদন নাকচ করে দেন এবং তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ জারি করেন।

মামলার পটভূমি ও ঘটনার বিবরণ

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বিএনপি ১০ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে একটি কর্মসূচি ঘোষণা করে। এর আগে ৭ ডিসেম্বর ডিবি কর্মকর্তারা দলের নয়া পল্টন কার্যালয়ে অভিযান চালানোর সময় ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে পরে মৃত্যুবরণ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জনগণের ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে পল্টন মডেল থানায় শেখ হাসিনা ও ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় আসামিদের তালিকায় মামুন খালেদের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সংশ্লিষ্ট সকল প্রমাণ ও সাক্ষ্য সংগ্রহে তৎপর বলে জানা গেছে। বিচারিক প্রক্রিয়ার এই ধাপটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।