সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আরেক হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছে পুলিশ
আইভীকে আরেক হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট

সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আরেক হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছে পুলিশ

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আরও একটি হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ইন্টিরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মণ্ডল হত্যা মামলায় আইভীকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। আইভী বর্তমানে কারাগারে থাকায় আদালতের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মামলার পটভূমি ও তদন্ত

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংগঠিত সহিংসতার ঘটনায় ২০২৪ সালের ২০ জুলাই চিটাগাংরোড এলাকায় ডাচ বাংলা ব্যাংকের নিচে আগুনে পুড়ে নিহত হন ইন্টিরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মণ্ডল। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩০ জুন কৃষক ওয়াজেদ আলী বাদী হয়ে সেলিম মণ্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাছুম বিল্লাহ। তিনি তদন্তে সাবেক মেয়র আইভীর সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত বিষয়টি গ্রহণ করে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জামিন ও পূর্ববর্তী গ্রেফতার

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে হাইকোর্ট সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পাঁচটি মামলায় জামিন দেন। মামলাগুলো হলো:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ফতুল্লা থানায় করা বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা
  • আব্দুর রহমান হত্যা
  • মো. ইয়াছিন হত্যা
  • পারভেজ হত্যা
  • সদর মডেল থানায় করা হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়া

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৯ মে ভোর রাতে শহরের দেওভোগ এলাকায় অবস্থিত চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। গত বছরের নভেম্বর মাসে হাইকোর্ট তাকে পাঁচ মামলায় জামিন দিয়েছিলেন, কিন্তু আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়। পরে ১৮ নভেম্বর তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা ও সদর থানায় দায়ের করা আরও পাঁচ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।

এই নতুন শ্যোন অ্যারেস্ট আইভীর বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পুলিশ ও আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টিতে নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন।