পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলায় সিআইডি কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ, জেরা শেষে ২ এপ্রিল পরবর্তী তারিখ
পিলখানা মামলায় সিআইডি কর্মকর্তার সাক্ষ্য, জেরা শেষ

পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলায় সিআইডি কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় সিআইডির ইন্সপেক্টর আবু বক্কর সিদ্দিকের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পুরান ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ী আদালত ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. মমিনুল ইসলামের আদালতে তিনি জবানবন্দি দেন। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। তার জেরা শেষ হওয়ায় আদালত আগামী ২ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন।

মামলার বর্তমান অবস্থা ও সাক্ষ্য প্রক্রিয়া

এখন পর্যন্ত মামলাটিতে ১ হাজার ৩৪৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩০৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলার চিফ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এই মামলায় ৮২২ জন আসামি রয়েছে। এর মধ্যে ৩২৮ জন জামিনে আছে। কারাগারে আছে ৪২৭ জন। কিছু আসামি পলাতক রয়েছে এবং কিছু আসামির মৃত্যু হয়েছে। আজ ১৪৯ আসামির জামিন আবেদন থাকলেও শুনানি হয়নি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পিলখানায় অস্ত্রাগারের গোডাউনের পাশে বিস্ফোরক দ্রব্য আলামত জব্দ করেন এই সাক্ষী। সেই বিষয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। এরপর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার ইতিহাস ও বিচার প্রক্রিয়া

পিলখানা ট্র্যাজেডির ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে প্রথমে চকবাজার থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলা দুটি স্থানান্তর করা হয় নিউমার্কেট থানায়। ২০১০ সালের ১২ জুলাই হত্যা মামলায় এবং ২৭ জুলাই বিস্ফোরক আইনের মামলায় চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি। ২০১১ সালের ১০ আগস্ট হত্যা মামলায় চার্জগঠন করে বিচার শুরু হলেও বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার স্থগিত ছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর হত্যা মামলাটি ঢাকার নিম্ন আদালতের রায় এবং ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সও আপিল নিষ্পত্তি হয়। তবে এ ঘটনার বিস্ফোরক আইনে করা মামলা এখনও বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে চলছে।