হাসিনাসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনানি ৭ জুন
হাসিনাসহ ৮ আসামির অভিযোগ শুনানি ৭ জুন

রাজধানীর কল্যাণপুরে জাহাজবাড়িতে তথাকথিত জঙ্গি নাটক সাজিয়ে নয় তরুণকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দিন ধার্য করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের দিন ধার্য

ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। তিনি অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আরও এক মাস সময়ের আবেদন করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল আগামী ৭ জুন দিন নির্ধারণ করে।

এর আগে ৬ এপ্রিল এ শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। গত ৮ মার্চ এ মামলায় পলাতক ছয় আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আবেদন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতার ও পলাতক আসামিরা

এ মামলায় বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন দুজন। তারা হলেন সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক ও ডিএমপির সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া। শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্যরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডিএমপির তৎকালীন অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, তৎকালীন সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিএমপির তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায় ও তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন। তাদের হাজির হতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগের বিবরণ

চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাতে রাজধানীর কল্যাণপুরে জাহাজবাড়ি নামে পরিচিত একটি বাড়িতে কথিত জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। ‘অপারেশন স্ট্রম-২৬’ নামের ওই অভিযানে নয় তরুণকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

অন্যান্য মামলা

এদিকে, রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেক মামলায় রাজসাক্ষী হতে চেয়েছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল। তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার। ট্রাইব্যুনাল তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এছাড়া সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগের শুনানি ১৪ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।