জামায়াত মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী, আইন পাশে প্রতিষ্ঠিত: আইনমন্ত্রী
জামায়াত মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী, আইন পাশে প্রতিষ্ঠিত: আইনমন্ত্রী

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন ২০২৬ সংসদে পাসের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শুক্রবার (১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় পৌর শ্রমিক দল আয়োজিত মহান মে দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রীর বক্তব্য

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের পূর্বসূরীরা মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরোধিতা করেনি- সেইটা বলার আর কোনো নৈতিক দায়িত্ব জামায়াতের নেই। কেন নেই? এই সংসদে আমরা একটা আইন পাস করেছি। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন- ২০২৬। সেই আইনের মধ্যে একটা সংজ্ঞা আছে। ধারা ২ এর উপধারা ১০ এ বলা আছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস, তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নিজামী ইসলামী পার্টির বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলো তারাই মুক্তিযোদ্ধা। তার মানে দাঁড়ায় তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। আমরা যখন বিল পাস করলাম তখন জামায়াতে ইসলামী বিলের বিরোধিতা করেনি। জামায়াতে ইসলামী তখন একবারেই চুপ করে ছিল। মৌনতা সম্মতির লক্ষণ। আর এনসিপি তখন লিখিতভাবে সরকারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি হিসেবে জামায়াত

১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি পার্লামেন্টে এই আইন পাশের মধ্য দিয়ে এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি পরশু দিন সংসদে বলেছি, গতকাল আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন এরপর আর এই বিষয়ে আর কথা হবে না।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান তুর্কি প্রমুখ।