গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চাপাইর ইউনিয়নের রশিদপুর এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশের আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্তের পরিবারের বিরুদ্ধে। গত ৪ জুন বিকালে ওই কন্যা শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। পরে বিষয়টি গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়। তবে শিশুটির মা ওই ঘটনায় রিফাত আহমেদ নামে এক কিশোরকে অভিযুক্ত করে গত শুক্রবার রাতে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্ত কিশোরের পরিচয় ও বর্তমান অবস্থা
অভিযুক্ত কিশোর রিফাত আহমেদ উপজেলার রশিদপুর এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ঘটনার বিবরণ
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৪ জুন বিকালে শিশুটি বাড়ির পাশের মাঠে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় রিফাত তাকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে শিশুটি বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের ঘটনা খুলে বলে। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
মামলা ও পুলিশের পদক্ষেপ
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা আইনত অপরাধ, এবং এ বিষয়েও তদন্ত চলছে।



