ফেসবুকে ফেক আইডি চেনার ৭টি উপায় ও করণীয়
ফেসবুকে ফেক আইডি চেনার ৭টি উপায় ও করণীয়

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে এখন ভুয়া বা ফেক আইডির ব্যবহার বেড়েছে। অনেকেই এসব আইডিকে গুপ্ত আইডি বলে থাকেন। এসব আইডি দিয়ে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো, প্রতারণা বা অপপ্রচার চালানো হয়। তাই সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এমন আইডি চিহ্নিত করার কিছু সতর্ক সংকেত জানা গুরুত্বপূর্ণ।

অস্বাভাবিক প্রোফাইল তথ্য

ফেক আইডিগুলোর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাস্তব নামের পরিবর্তে ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়। প্রোফাইলে শিক্ষা, কর্মস্থল বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রায়ই অসম্পূর্ণ বা সন্দেহজনক থাকে।

খুব কম বা অতিরিক্ত নতুন অ্যাক্টিভিটি

অনেক ভুয়া আইডি হঠাৎ তৈরি হয়ে অল্প সময়ের মধ্যে অনেক পোস্ট বা কমেন্ট করে। আবার কিছু আইডিতে দীর্ঘদিন কোনও কার্যক্রমই থাকে না।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রোফাইল ছবি ও কভার ফটো

ফেক আইডিতে অনেক সময় প্রকৃত ব্যক্তির ছবি থাকে না। স্টক ছবি, কার্টুন, বা অন্য কারও ছবি ব্যবহার করা হয়।

ফ্রেন্ড লিস্টে অস্বাভাবিকতা

এই ধরনের আইডির বন্ধু তালিকা হয় খুব কম বা অস্বাভাবিকভাবে অনেক বেশি, তবে বাস্তব যোগাযোগ থাকে না।

সন্দেহজনক পোস্ট ও ভাষা

ভুয়া আইডি থেকে অনেক সময় উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর বা কপি-পেস্ট করা পোস্ট করা হয়। ভাষার ব্যবহারেও অসঙ্গতি দেখা যায়।

বারবার নাম বা তথ্য পরিবর্তন

ফেক আইডি মাঝে মাঝে নাম, ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য পরিবর্তন করে পরিচয় গোপন রাখার চেষ্টা করে।

সচেতন ব্যবহারকারী হিসেবে কী করবেন?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্দেহজনক আইডি থেকে আসা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ না করাই নিরাপদ। পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার আগে যাচাই করা এবং প্রয়োজনে ফেসবুকের রিপোর্ট/ব্লক অপশন ব্যবহার করা উচিত। ডিজিটাল নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, “অনলাইনে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হলো সচেতনতা”—অর্থাৎ ব্যবহারকারীর সতর্কতাই ভুয়া আইডির ঝুঁকি অনেকাংশে কমাতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ