টরকীর পানের হাট: গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখা ঐতিহ্যবাহী বাজার
টরকীর পানের হাট: গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখার গল্প

বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় অবস্থিত টরকী পানের হাট একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই হাটে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পান কেনাবেচা চলে। প্রতিটি মৌসুমে আড়তগুলোতে ২০-২৫ জন শ্রমিক পান মান যাচাই ও গোছানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন।

আদিকালের হিসাব পদ্ধতি

এখানে পান কেনাবেচায় এখনো ‘গন্ডা’, ‘পণ’ ও ‘বিড়া’—এই আদিকালের হিসাব পদ্ধতি চালু আছে। ১ গন্ডায় ৪টি পান, ১ পণে ২০ গন্ডা বা ৮০টি পান, এবং ১ বিড়ায় ৭২ থেকে ১০০টি পান হিসাব করা হয়।

আড়তের বর্ণনা

মহাসড়কের দুই পাশে সারি সারি ১৩টি বড় আড়ত রয়েছে—গাউছিয়া, মোহাম্মাদী, সোনার মদিনা, এলাহী, শাহজালাল—সব জায়গাতেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেনাবেচা চলে। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দরের নীলখোলা এলাকায় পানের আড়ত থেকে পান কিনে ভ্যানে করে নেওয়া হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অর্থনৈতিক প্রভাব

টরকীর পানের হাট শুধু একটি অঞ্চলের নয়, পুরো দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখে। পানের ব্যবসা ঘিরে এই এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। টরকীর লঞ্চঘাট একসময় ছিল জমজমাট। সেই ঘাটের ১৫ কদম দূরেই যেখানে আজকের কাঠপট্টি, সেখানেই একসময় জমজমাট ছিল পানের আড়ত। এখন আড়তগুলো চলে এসেছে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের কাছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ