ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও সূচকের বড় পতন, প্রধান সূচক ৪.৪২% কমেছে
ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও সূচকের বড় পতন

ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও সূচকের বড় পতন, প্রধান সূচক ৪.৪২% কমেছে

আজ রোববার সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেলেও, শেয়ারবাজারের সূচকগুলিতে ব্যাপক পতন রেকর্ড করা হয়েছে। লেনদেনের পরিমাণ গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় বেড়ে ৫৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের দিনের ৪৫৯ কোটি ৪২ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ১৫.৭% বেশি।

সূচকগুলির ব্যাপক পতন

তিনটি প্রধান সূচকের সবকটিতেই আজ তীব্র পতন লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকার শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমে হয়েছে ৫ হাজার ৮ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট, যা আগের কর্মদিবসের তুলনায় ২৩১ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট বা ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ হ্রাস নির্দেশ করে। দ্বিতীয় সূচক ডিএসইএস কমে হয়েছে ১ হাজার ১৩ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট, যেখানে আজ এই সূচক ৩৫ দশমিক ২৫ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমেছে।

শীর্ষ ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএস৩০ সূচক কমে হয়েছে ১ হাজার ৯১৯ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট, যা আগের দিনের তুলনায় ৯১ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বা ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পতন দেখিয়েছে। এই পতনগুলি বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে লেনদেন বৃদ্ধি সত্ত্বেও সূচকের এই নিম্নগামী প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কোম্পানিগুলির শেয়ার মূল্যের অবস্থা

আজ দিন শেষে শেয়ারবাজারে দাম বেড়েছে মাত্র ১০টি কোম্পানির শেয়ারের, যা বাজারের সামগ্রিক নেতিবাচক প্রবণতাকে প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে, দাম কমেছে ৩৭১টি কোম্পানির শেয়ারের, এবং ৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে, বাজারের বেশিরভাগ শেয়ারই আজ মূল্য হ্রাসের মুখোমুখি হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলির তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সীমিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠান ইতিবাচক পারফরম্যান্স দেখালেও, সামগ্রিকভাবে বাজার নেতিবাচক চাপে রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন আগামী দিনগুলিতে বাজারের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করছেন, বিশেষ করে অর্থনৈতিক অবস্থা এবং কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনের প্রভাব বিবেচনা করে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লেনদেন বৃদ্ধি সত্ত্বেও সূচকের পতনের পেছনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, স্থানীয় বিনিয়োগের পরিবেশ এবং কোম্পানির মৌলিক অবস্থার পরিবর্তন ভূমিকা রাখতে পারে। আগামী সপ্তাহে বাজারের প্রবণতা আরও স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।