ডিএসইতে লেনদেন ও সূচকে ইতিবাচক ধারা: দেশ গার্মেন্টস শীর্ষে, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পতনে
ডিএসইতে লেনদেন ও সূচকে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত

ডিএসইতে লেনদেন ও সূচকে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার তৃতীয় কার্যদিবস ধরে লেনদেন ও সূচকের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। যদিও সূচকের উপস্থাপনায় কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা গেছে, তবুও বাজারের সামগ্রিক প্রবণতা আশাব্যঞ্জক। দিন শেষে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৯২৯ কোটি ২৮ লাখ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সূচকগুলোর অবস্থা

প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ দশমিক ১৬ পয়েন্ট বা ০.৭৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৯৮ দশমিক ৫৮ পয়েন্টে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ৩ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৬৫ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট। অপরদিকে, ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএস৩০ সূচক ২০ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বা ১.০২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪ দশমিক ৫০ পয়েন্টে।

বাজার বিশ্লেষণ

বুধবারের লেনদেনে দেখা যায়, বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। মোট ২১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ১২১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৭টির দাম। এই প্রবণতা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার আংশিক প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দাম বাড়ায় শীর্ষ কোম্পানিগুলো

দামবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে দেশ গার্মেন্টস। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.৯৫ শতাংশ বেড়ে ১১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৭০ পয়সায়। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পূরবী জেনারেল, যার শেয়ারদরও ৯.৯৫ শতাংশ বেড়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা সমতা লেদারের শেয়ারদর বেড়েছে ৯.৯১ শতাংশ। এছাড়া বিডি ল্যাম্পস ৯.৮৬ শতাংশ এবং বঙ্গস ৬.৬৮ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ পাঁচে অবস্থান করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দাম কমায় শীর্ষ কোম্পানিগুলো

অন্যদিকে, দরপতনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, যার শেয়ারদর কমেছে ৭.৫৯ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে নাহি অ্যালুমিনিয়াম (৭.৫১ শতাংশ), আইসিবি এমপ্লয়িস (৬.৮৯ শতাংশ), গোল্ডেন সন (৫.১৯ শতাংশ) এবং রিজেন্ট টেক্সটাইল (৪.৬৫ শতাংশ)।

বিশ্লেষকদের মতামত

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লেনদেন বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক সংকেত। তবে সূচকের স্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ধরে রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ও নীতিগত স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান প্রবণতা বজায় থাকলে শেয়ার বাজারে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।