দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বারাপুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে দুই দিন বন্ধ থাকার পর আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। কেন্দ্রটির একটি ইউনিট পুনরায় চালু করা হয়েছে।
ইউনিট পুনরায় চালু
কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক শুক্রবার সন্ধ্যায় জানান, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি পরীক্ষামূলকভাবে পুনরায় চালু করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টা থেকে ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৫৫-৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে, যার জন্য প্রতিদিন প্রায় ৭০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
যান্ত্রিক ত্রুটি সমাধান
সূত্র মতে, গত ২২ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে কয়লার সাথে মিশে থাকা পাথরের কারণে যান্ত্রিক ত্রুটির সৃষ্টি হলে ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। প্রকৌশলীরা নিবিড় তত্ত্বাবধানে সমস্যাটি সমাধান করেন, যার ফলে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়।
উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ উন্নতি
কর্তৃপক্ষ আশা করছেন, এই ইউনিট চালু হওয়ার ফলে পার্বতীপুরসহ আটটি উত্তরাঞ্চলীয় জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ উন্নত হবে এবং লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা
৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বারাপুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে সরবরাহকৃত কয়লা ব্যবহার করে পরিচালিত হয়। তবে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিট, যার ক্ষমতাও ১২৫ মেগাওয়াট, ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। বন্ধ হওয়ার আগে এটি প্রায় ৬০-৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করত।
ভোক্তাদের স্বস্তি
প্রধান প্রকৌশলী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পুনরায় চালু হওয়া ইউনিটটি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন ভোক্তাদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে।



